প্রথমে শোনা গেল রাজ্যের স্কুলগুলির মিড ডে মিলের দায়িত্বে ইসকন। রটে গেল, নিরামিষ খাবারই বরাদ্দ। বাদ পড়ছে ডিম। যুক্তি খাড়া হলো, ডিমের চেয়ে সোয়াবিনে পুষ্টি বেশি। এখন সোয়াবিনের নামে বাজারে যা পাওয়া যায় তার পুষ্টিগুণ কত, সে অবশ্য অন্য বিতর্ক। থাকছে অভ্যাস- রুচির বিষয়ও। এরই মাঝে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করলেন, পড়ুয়াদের পাতে পাতে আলাদাভাবে ডিম দেবে অন্য সংস্থা। 


মিড-ডে মিলের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীদের তবে কি চাকরি যাবে? সেই প্রশ্ন যখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে তখন একটি মামলায় আদালতে ইসকন জানাল, মিড ডে মিলের দায়িত্বে তাদের সংস্থা নেই। শোনা গেল, 'অন্নামৃত ফাউন্ডেশন' কলকাতার স্কুলগুলিতে খাবার সরবরাহ করে। জেলায় একই দায়িত্বে রয়েছে 'অক্ষয় পাত্র ফাউন্ডেশন'। বর্তমানে সেইসব চুক্তি বাতিল হয়ে মিড ডে মিল ব্যবস্থা পরিচালিত হচ্ছে আগের সরকারের নিয়মেই।



যাই হোক, মিড ডে মিলে পড়ুয়াদের পাতে থাক পুষ্টি। কর্মীদের থেকে যাক কাজটুকু।